ফেসবুকে কোর্স বিক্রি করেন?
দাম জানানো, পেমেন্ট মেলানো, গ্রুপে অ্যাড করা — পুরোটাই অটোমেটিক। আপনি শুধু ক্লাস নেবেন।
কোনো অগ্রিম টাকা নেই · ডেমো দেখে তারপর সিদ্ধান্ত
আপনি ক্লাসে, মিটিংয়ে বা ঘুমে। ততক্ষণে মানুষটা অন্য পেজ থেকে উত্তর পেয়ে ভর্তি হয়ে গেছে।
স্ক্রিনশট দেখে মিলিয়ে, তারপর একজন একজন করে গ্রুপে অ্যাড করা। প্রতি ব্যাচে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলে যায়।
নাম আর নম্বর ছড়িয়ে আছে পুরনো চ্যাটে। নতুন ব্যাচে আবার শূন্য থেকে শুরু করতে হয়।
MIT-এর একটা গবেষণায় এক লাখ লিড বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, রিপ্লাই ৩০ মিনিট দেরি হলেই সেই মানুষটাকে পাওয়ার সম্ভাবনা ২১ গুণ কমে যায়।
আপনার কোর্স, আপনার দাম, আপনার বিকাশ নম্বর — সব আগের মতোই থাকবে। শুধু বিক্রির পদ্ধতিটা বদলাবে।
কোর্সের সব তথ্য, দাম আর রিভিউ এক জায়গায়। একটা লিংক শেয়ার করলেই হল।
ট্রানজেকশন আইডি দিলেই সিস্টেম নিজে মিলিয়ে নেবে।
পেমেন্ট হলেই গ্রুপের লিংক চলে যাবে, আপনাকে কিছু করতে হবে না।
দাম, শুরুর তারিখ, ভর্তির নিয়ম — কমন প্রশ্নের উত্তর সেকেন্ডে।
যে ফর্ম পূরণ করেও টাকা দেয়নি, কয়েক ঘণ্টা পর তাকে মনে করিয়ে দেবে।
প্রতিটা ভর্তি একটা তালিকায় জমা হবে। নতুন ব্যাচে এক ক্লিকে সবাইকে খবর।
১৫ মিনিটের একটা কল। আপনার কোর্স কী, কীভাবে ভর্তি নেন — শুনব, তারপর সিস্টেমটা স্ক্রিনে দেখাব।
আপনার কোর্সের নাম আর দাম দিয়ে পুরো সিস্টেম দাঁড় করিয়ে দেব। আপনাকে টেকনিক্যাল কিছু করতে হবে না।
এখন যেখানে পেজের লিংক দেন, সেখানে নতুন লিংকটা দেবেন। বাকিটা সিস্টেম সামলাবে।
সিস্টেম চালু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অন্তত ৩টা পেমেন্ট অটোমেটিকভাবে না এলে, সেই মাসের মেইনটেনেন্স ফি দিতে হবে না।
এই মাসে মাত্র ৩টা পাইলট স্লট, অর্ধেক দামে। প্রতিটা সেটআপ নিজে হাতে করি, তাই একসাথে এর বেশি নেওয়া সম্ভব না।
ফর্মটা পূরণ করুন, আমি আপনার ফেসবুক পেজটা দেখে তারপর কল করব। কলে কোনো বিক্রির চাপ নেই — সিস্টেমটা কীভাবে কাজ করে সেটা দেখাব, ভালো না লাগলে “না” বলে দেবেন।
আপনার তথ্য কারও সাথে শেয়ার করা হবে না।
বোঝার দরকারও নেই। এখন যেখানে পেজের লিংক দেন, সেখানে নতুন লিংকটা দেবেন। স্টুডেন্টরা নিজে নিজেই ভর্তি হয়ে যাবে।
ছোট ব্যবসাতেই এটা বেশি দরকার। বড় প্রতিষ্ঠানে উত্তর দিতে পাঁচজন বসে থাকে। আপনার আছেন শুধু আপনি।
না। এখন যে নম্বরে টাকা নেন, সেটাই থাকবে।
সাধারণত ৩ থেকে ৫ কার্যদিবস। আপনাকে শুধু কোর্সের নাম, দাম আর কিছু তথ্য দিতে হবে।
না, ডেমো কল পুরোপুরি ফ্রি। দেখে ভালো না লাগলে “না” বলবেন, আমি আর বিরক্ত করব না।
চুরি পুরোপুরি বন্ধ করার জাদু কারো কাছে নেই। তবে প্রতিটা স্টুডেন্টের নাম ভিডিওর উপর ভাসবে, আর ডাউনলোডের রাস্তা বন্ধ থাকবে। ধরা পড়ার ভয়েই বেশিরভাগ মানুষ চেষ্টা করে না।